সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে ব্যাকলিঙ্কের গুরুত্ত কতখানি



আমরা যারা ব্লগিং করি বা করতে চেষ্টা করতেছি অথবা যারা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন জানি, তাঁরা আসলে বুঝি আসলে একটি কোয়ালিটি ব্যাক লিঙ্কের গুরুত্ত কতখানি। আমরা অবশ্যই জানি ব্যাক লিঙ্ক আসলে কি।


Read More Add your Comment 0 মন্তব্য(গুলি)


যেভাবে PR-2 ব্লগ এবং ফোরাম খুজতে হয়



অনেকে PR-2 অথবা PR-2 ফোরাম লিস্ট খুঁজে থাকেন কিন্তু তার অধিকাংশই Live লিংক হয় না। কারন এই লিংকের সাইটগুলোকে স্পামাররা ব্যবহার করেন। আবার অনেকে অটো Approve সাইট খুজেন কারন তাদের কমেন্ট করার কোয়ালিটি ভাল না, তাঁরা ভাল ইংরেজি জানে না। আসলে এস ই ও বা অন্য যেকোন কাজ করতে হলে আপনাকে ভাল ইংরেজি জানতে হবে। তাই আমার উপদেশ হল আগে ভাল ইংরেজি শিখেন তার পর নিজে একটা ব্লগারে ইংরেজি ব্লগ খুলুন। অই ব্লগে দুই থেকে তিন মাস ইংরেজিতে লিখতে থাখুন দেখবেন অনেক কিছু শিখে গেছেন। এইবার যদি এস ই ও এর কাজ করতে চান তাহলে এস ই ও শিখুন এবং নিজের ব্লগে প্রয়োগ করুন। যেকোন একটি কী ওয়ার্ডকে গুগল এর প্রথম পেজে আনুন তারপর odesk.com বা freelancer.com হতে কাজ নিতে চেষ্টা করেন। আশা করি কাজ আপনার পিছনে ছুটবে। 

যাহোক এখন আমি আপনাদেরকে Live লিংক সহ কিভাবে PR-2 ব্লগ এবং ফোরাম খুজতে হয় তা দেখাব।
স্টেপ ১ PR-2 ব্লগ খুজুন
এই পদ্ধতিতে আপনাকে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হবে। গুগলে গিয়ে সার্চ করুন Google Blog search দেখবেন গুগলের ব্লগ সার্চ ইঞ্জিনটি আপনার সামনে এসে হাজির হয়েছে। এইবার আপনার কী ওয়ার্ডটি সার্চ করুন তাহলে অনেকগুলো Live ব্লগের ঠিকানা পাবেন। এই ব্লগগুলোতে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কমেন্ট করা যাবে না। তাই আগে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। 
টিপসঃ এই পদ্ধতিটি আপনার অনেক সময় নস্ট করবে তবে এটাই হল সবচেয়ে ফলপ্রসু পদ্ধতি। সবচেয়ে ভাল হয় একটি এক্সেল ফাইলে জে ব্লগগুলোতে আপনি রেজিস্ট্রেশন করবেন অইগুলোর লিংক, PR, কী ওয়ার্ড, রেজিস্ট্রেশণের এবং সাইটের তথ্য টুকে রাখা। এই কাজটি করতে পারলে আপনি পরবর্তিতে অনেক উপকৃত হবেন। 
স্টেপ ২ PR-2 ফোরাম খুজুন 
ফোরাম খোজার জন্য উপরের পদ্ধতি ফলো করুন। গুগলে গিয়ে forum search লিখে সার্চ দিন।   
অন্য পদ্ধতিঃ 
এই পদ্ধতি আরো অনেক সহজ।এই পদ্ধতিতে আপনি ব্লগ সার্চ করার জন্য কী ওয়ার্ড এর পাশে ব্লগ লিখে দিতে পারেন যেমন আমরা seo tutorial দিয়ে ব্লগ সার্চ দিলে হবে seo tutorial: blog or seo tutorial : WordPress blog এইভাবে। ফোরামের ক্ষেত্রে হবে seo tutorial : forum 
আশা করি এই টিপসগুলো কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার কাক্ষিত লক্ষে পৌছে যাবেন। 
 


Read More Add your Comment 0 মন্তব্য(গুলি)


সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এবং কিছু গুরুত্তপূর্ন তথ্যঃ (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজারদের জন্য)



আমার একটি ওয়েবসাইট আছে। আমি সবসময় চাই ভিসিটর আমার সাইট এ আসুক এবং দেখে যাক আমার সৃষ্টিশীল লিখা। এই কাজটা আমরা কেন করি? কেও হয়তো গুগল অ্যাডসেন্স অথবা কেও তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রচারনা অথবা কেও পণ্য বিক্রি করতে চায় অথবা অন্য কারনও হতে পারে। ওয়েবসাইট এর প্রচারনার জন্য প্রয়োজন সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। তাই আপনি ঠিক করলেন যে আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ট্রাফিক নিয়ে আসবেন। কিন্তু অসংখ্য সার্চ সাইট এর মধ্যে আপনি অবশ্যই গুগল, ইয়াহু, আওল’স এবং এমএসএন’স কে টার্গেট করবেন কেননা এগুলোই হল ওয়ার্ল্ড বেস্ট সার্চ সাইট। কিন্তু এই সার্চ সাইট গুলো ছাড়াও HotBot, Dogpile, Netscape, Mamma.com Teoma, InfoSpace ইত্যাদি সার্চ সাইট রয়েছে। কিন্তু বেশি বেশি ট্রাফিক আনতে হলে আপনাকে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ছাড়াও অন্যন্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোর কথা চিন্তা করতে হবে।

আমাদের চিন্তা হবে গুগল কেন্দ্রিক কিন্তু আমাদেরকে পদার্পন করতে হবে হাজার হাজার সার্চ সাইট এবং কিছু সার্চ ইঞ্জিনের প্রান কেন্দ্রে। পৃথিবীতে হাজার হাজার সার্চ সাইট আছে কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন আছে সামান্য সংখ্যক। তাই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমিজেশন করতে হলে আপনাকে সার্চ সাইট নয় সার্চ সিস্টেম/ইঞ্জিনকে ভালভাবে জানতে হবে। আপনি যদি সবগুলো সার্চ সিস্টেম এবং তাদের সার্চ এলগরিদম জানেন তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমিজেশনে অন্যদেরকে হাজার পথ পিছনে ফেললেন।

সার্চ সাইট এবং সার্চ সিস্টেম/ইঞ্জিন কি?
 সার্চ সাইট হচ্ছে একধরনের ওয়েবসাইট যেটা সার্চ সিস্টেম থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আপনাকে দেখায়। অন্য দিকে সার্চ সিস্টেম হচ্ছে অনেকগুলো হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সমন্বয়ে গঠিত এবং এটা ব্যবহার করা হয় ওয়েবসাইট ইনডেক্স করার জন্য যাতে সার্চ সাইটকে এটি তথ্য দিতে পারে। 

সার্চ ইঞ্জিন আপনার কাংখিত তথ্য খুঁজে দেয়। গুগলের ডাটাবেসে ৩ বিলিয়ন পেজ আছে(প্রতিদিন এর সংখ্যা বারতেছে)। এই বিশাল ডাটা রাখার জন্য গুগল হাজার হাজার কম্পিউটার ব্যবহার করে এবং ডাটা খোজার জন্য পেরালাল সার্চ চালায়। এই সার্চ চালানোর জন্য একধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় যার নাম হচ্ছে robot। আর গুগল যে সফটওয়্যার ব্যবহার করে তার নাম হচ্ছে googlebot। googlebot সফটওয়্যার বিভিন্ন এলগরিদম(যেমন তথ্য কপি কিনা, বেকলিঙ্কস কয়টা, ওয়েবপেজটি তথ্য পূর্ন কিনা ইত্যাদি) এর মাধ্যমে তথ্যকে যাচাই বাছাই করে আমাদেরকে প্রদর্শন করে। গুগল একটি সার্চ সাইট এবং সার্চ সিস্টেম কিন্তু AOL.com এবং Earthlink হচ্ছে সার্চ সাইট যেটা গুগল এর সার্চ সিস্টেম ব্যবহার করে তথ্য দেখায়।


তথ্য খোজার জন্য আমরা কে কতটুকো সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্য নি?

আপনি নিজের কথাই চিন্তা করুন সার্চ করার জন্য আপনি কতটুকু গুগল অথবা অন্যন্য সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্য নেন। আমার কথাই বলি আমি সাধারণত ফেসবুক, প্রথম আলো, জিমেইল, ইয়াহু মেইল, টিউনার পেজ, ডেইলি মেইল, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং আরও কিছু গুরুত্তপূর্ন সাইট এ যাই। এ কাজটা আমি করি ব্রাউজার এর ইউ আর এল এর মাধ্যমে। এই সাইট গুলার জন্য আমি কখনো গুগল এ সার্চ দিইনা কেননা এই সাইট গুলার অ্যাড্রেস আমি জানি। যখন আমি অজানা কিছু জানতে চাই তখন আমি গুগল এর সাহায্য নি। তাহলে যদি আমার হিসাব করি প্রায় অধিকাংশ সময় আমি ইউ আর এল এর মাধ্যমে কোন সাইট এ যাই। প্রায় পৃথিবীর ৫০ শতাংশ মানুষ কোন কিছু সার্চ করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্য নেয় এবং বাকি মানুষ কোন ফোরাম থেকে, ফেসবুক লিঙ্ক থেকে অথবা অন্য কোন মাধ্যম থেকে তথ্য খুঁজে। যারা নতুন তাদের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ সার্চ সাইট ব্যবহার করে। আর যারা প্রোডাক্ট কিনতে চায় তারাও বেশিরভাগ সময় সার্চ সাইট এর সাহায্য নেয়। আমি ইউ আর এল এর মাধ্যমে যে সাইট গুলোতে যাই এ সাইট গুলোর কনটেন্ট অনেক ভাল এবং এই সাইট গুলোতে আমি অনেক গুরুত্তপূর্ন কিছু খুঁজে পেয়েছি তাই এই সাইট গুলো আমার প্রথম দেখাতে ভাল লেগেছে। সব সার্চ ইঞ্জিন কন্টেন্টকে বেশি গুরুত্ত দেয়। তাই আপনাকে এমন কনটেন্ট বানাতে হবে যাতে ভিসিটর প্রথম দেখাতেই এর প্রেমে পড়ে যায়।

কোন সার্চ সাইট গুলো বেশি ব্যবহারিত হয়, আমি কোন সার্চ ইঞ্জিন কে অপ্টিমাইজ করব?   
আমরা আসলে সাধারণত সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বলতে গুগল সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমিজেশন এর কথাই বুঝি। কিন্তু আমাদেরকে সফল হতে হলে অন্যন্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোকেও বিবেচনা করতে হবে। কেন করতে হবে তা আমরা কিছুক্ষন পরেই জানতে পারব। এখন আমরা সার্চ সাইট গুলোর রেঙ্ক করব। আসলে এটা নির্ভর করে কোন সাইট কিরকম পপুলার, কোন সাইট এ কি পরিমান সার্চ হয়, কত শতাংশ ব্যবহারকারী একটি সাইট ব্যবহার করে ইত্যাদি। নিচে সার্চ সাইট গুলোর রেঙ্ক চিত্রের সাহায্য দেয়া হল।
ওয়েবসাইট অপ্টিমিজেশনের জন্য আপনার পরিকল্পনা কি কি হওয়া উচিৎ? আপনারা হাজার হাজার সার্চ সাইট এর কথা শুনেছেন কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন আছে মাত্র আট দশটি। তাই আপনাকে এই কয়টি সার্চ ইঞ্জিন এ কিভাবে পজিশন করে নেয়া যায় এটা ভাবতে হবে। এটা করার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবেঃ
১. কী ওয়ার্ড এনালাইসিস করাঃ
আপনাকে প্রথমে চিন্তা করতে হবে কোন কী ওয়ার্ডটি আপনি ব্যবহার করবেন এবং কোন কী ওয়ার্ডটি আপনি রেঙ্ক এ নিয়ে আসতে চান। কী ওয়ার্ড এনালাইসিস করা অনেক গুরুত্তপূর্ন। আপনি কী ওয়ার্ড কিভাবে এনালাইসিস করতে হয় তা সার্চ করে অথবা বিভিন্ন বাংলা সাইট ঘুরে জানতে পারেন।
২. সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য উপযোগী কনটেন্ট তৈরি করাঃ
একটি সাইটের প্রান হল তার কন্টেন্ট। যতই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করেন না কেন কন্টেন্ট ভাল না হলে ভিসিটর আসবেনা। তাই সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে কন্টেন্ট তৈরি করুন এবং কন্টেন্ট এ আপনার কী ওয়ার্ড ভালভাবে ব্যবহার করুন। 
৩. বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এ আপনার সাইট সাবমিট করুনঃ
আপনি একটি ভাল সাইট বানালেন কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন যদি নাই জানে আপনার সাইট এর কথা তাহলে কোন লাভ নেই। তাই আপনাকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এ আপনার সাইট সাবমিট করতে হবে। এজন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করবেননা। মনে রাখবেন সার্চ ইঞ্জিন এর সংখ্যা আট দশটি তাই বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এ আগে রেজিস্টার করুন তার পর আপনার সাইট সাবমিট করুন। 

এই কাজগুলো করে আপনাকে প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন নিয়ে আলাদা আলাদা কাজ করতে হবে যেমন গুগল ভালবাসে রিলেটেড সাইট এর ব্যাকলিং তাই আপনাকে গুগল এর জন্য ব্যাকলিঙ্ক বানাতে হবে। বিভিন্ন বুকমার্ক সাইট এ সাইট সাবমিট করা। আরও অনেক কিছু। মোট কথা বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এর এলগরিদম বুঝে সে অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে।
পরিশেষে বলতে চাই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এর ফল পেতে হলে আপনাকে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হবে। সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম পেজ এ যাওয়া অনেক কঠিন। এজন্য আপনাকে অনেক পথ পারি দিতে হবে। কেও যদি বলে আপনাকে এক সপ্তাহের মধ্যে ১ নম্বর পজিশন এ নিয়ে আসবে তা হবে ভুল। আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন এ পজিশন করে নিতে হলে বিভিন্ন টেকনিক প্রয়োগ করতে হবে। অনেক সময় এটি হয়তো কাজে দিবে অনেক সময় হয়তো না। তারপরও আপনাকে কাজ করে যেতে হবে। আজকে এই পর্জন্তই আসা করি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর পথেই থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।


Read More Add your Comment 0 মন্তব্য(গুলি)


ইয়াহু এন্সার থেকে ব্যান হওয়া না হওয়ার উপায়গুলো



ব্লগের ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য ইয়াহু এন্সার একটি প্রধান মাধ্যম। তাই অনেকে ইয়াহু এন্সার দেয়ার সময় নিজের ব্লগের লিংক জুরে দেয়। আবার অনেকে বিভিন্ন মাইক্রো ওয়ার্কার জাতীয় সাইটে কাজ করার কারনে ইয়াহু এন্সার এর সাথে ব্লগের লিংক জুরে দেয়। যার ফলশ্রুতিতে সে ইয়াহু এন্সার অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যান হয়ে যায়। তাই এই কাজগুলো কখনো করা যাবে না। নিচে আমি ইয়াহু এন্সার থেকে ব্যান হওয়া এবং না হওয়ার উপায়গুলো আলোচনা করলাম।

ইয়াহু এন্সার থেকে ব্যান হওয়ার উপায়গুলো 

নিচে আমি ইয়াহু এন্সার থেকে ব্যান হওয়ার উপায়গুলো আলোচনা করলাম।
  • বেশি বেশি একই ব্লগ বা নিজের ব্লগের লিংক দেয়া।
  • না বুঝে এন্সার করা। 
  • এন্সার বিষয়ের সাথে না মিললে। 

ইয়াহু এন্সার থেকে ব্যান না হওয়ার উপায়গুলো 

মনে রাখবে ইয়াহু এন্সার একটি কমুনিটি মানে আপনি কি উত্তর দিলেন তা বিভিন্ন লোক দেখে। যদি আপনার উত্তরে কোন প্রচারনা জাতীয় কিছু থাকে তাহলে তাঁরা আপনার অ্যাকাউন্ট এর বিরুদ্ধে রিপোর্ট করে। ফলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যায়। নিচে ব্যান না হওয়ার উপায়গুলো আলোচনা করা হল। 
  • যথা সম্ভব নিজের ব্লগ বা কোন ব্লগের লিংক দেয়া এড়িয়ে চলতে হবে। মনে রাখবেন এখানে আপনি সাহায্য করার জন্য এসেছেন, নিজের ব্লগের প্রচারনার জন্য আসেননি। 
  • যদি নিজের ব্লগের লিংক দিতেই হয় তাহলে নিজের ব্লগে অই সম্পর্কে একটি পোস্ট দিয়ে তারপর নিজের ব্লগের লিংক দিয়ে দিতে পারেন। 
  • বেশি বেশি লিংক ব্যবহার করবেননা। একবার লিংক দেয়ার পর পাঁচ ছয়টা এন্সার করুন কোন লিংক ছাড়া। 
আশা করি এই জিনিসগুলো ফলো করলে আপনি ইয়াহু এন্সার থেকে ব্যান ঠেকাতে পারবেন। 


Read More Add your Comment 0 মন্তব্য(গুলি)


 

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ব্লগ লিখার জন্য স্বাগতম

এই ব্লগের উন্নয়ন এবং সকলকে প্রযুক্তি নিয়ে উৎসাহ দেয়ার জন্য আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি। সকলকে সাহায্য করার জন্য আপনার কাছ থেকে ভাল লিখা আশা করছি। বাংলায় কন্টেন্ট বাড়াতে হলে লিখার কোন বিকল্প নেই। তাই আপনিও হয়ে উঠতে পারেন এই ব্লগের একজন লেখক। যদি এই ব্লগে লিখতে চান তাহলে sharif.iit.du@gmail.com এই মেইলে একটি চিঠি পাঠান। আমি আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি।

© ২০১২ টেকনোলজি ব্লগ সকল কিছু সংরক্ষিতটেম্পলেটটি ডিজাইন করেছেন ব্লগার শরিফুর রহমান